BCS N/A ফলাফল: N/A

৪৭তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা - আরইউইটি (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং)

প্রার্থী: বেনামী
বিষয়: Civil Engineering
জেলা: N/A
বোর্ড: বিজ্ঞ সদস্য শরীফ স্যার

ক্যাডার পছন্দের তালিকা

1. প্রশাসন

বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর

প্র Chairman
প্রশাসন ক্যাডারে কেন আসতে চান?
প্র Candidate
[উত্তরে স্যার রাজনীতি করতে বলেছেন। এছাড়াও আরো অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু আমার উত্তর গ্রহণ করেননি।]
প্র Chairman
এতদিন চাকরি হয়নি কেন, আমার দুর্বলতা কোনটি?
প্র Chairman
টিউশনি করে মাসে কত টাকা ইনকাম করি?
প্র Chairman
আপনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টদের এত টাকা ইনকাম করার জন্যই হয়তো ঠিকমতো পড়াশোনা হয় না। রেজাল্ট খারাপ কি টিউশনি করতে গিয়ে হয়েছে?
প্র Chairman
বর্তমান সময়ে স্কুল-কলেজের স্টুডেন্ট খারাপ পথে চলে যাচ্ছে। আমার জেলা প্রশাসক হিসেবে কিছু করার আছে কিনা এখানে?
প্র Candidate
একজন জেলা প্রশাসক (DC) হিসেবে আপনার জেলায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের বিপথগামিতা রোধে ও তাদের সঠিক পথে ফেরাতে ব্যাপক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। জেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক ক্ষমতা, সমন্বয় করার সক্ষমতা এবং সামাজিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে আপনি যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন, তা নিচে দেওয়া হলো: ১. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাউন্সেলিং ও নৈতিক শিক্ষা জোরদার * মোরাল ও ভ্যালু এডুকেশন: জেলার প্রতিটি স্কুল-কলেজে নিয়মিত নৈতিক শিক্ষা, মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুশাসনমূলক ক্লাস বা আলোচনার ব্যবস্থা করা। * পেশাদার কাউন্সেলিং: শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও আচরণগত সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিজ্ঞ মনোবিদ বা কাউন্সেলরদের মাধ্যমে কাউন্সেলিং সেশনের ব্যবস্থা করা। ২. মোবাইল, ইন্টারনেট ও সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ * সাইবার সচেতনতা ক্যাম্পেইন: শিক্ষার্থীদের মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঠিক ব্যবহার এবং সাইবার বুলিংয়ের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেমিনার করা। * পাবলিক প্লেসে কড়াকড়ি: স্কুল চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় কোনো বিনোদন কেন্দ্র, পার্ক, বা বিপণীবিতানে ঘোরাঘুরি রোধে মোবাইল কোর্ট বা নজরদারি বৃদ্ধি করা। ৩. মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ * জিরো টলারেন্স নীতি: জেলার মাদক বিরোধী কমিটিগুলোকে সক্রিয় করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এর আশেপাশের এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করা। * কমিউনিটি পুলিশিং ও অভিভাবক সমাবেশ: স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, এবং অভিভাবকদের নিয়ে নিয়মিত মতবিনিময় সভার আয়োজন করা যাতে তারা কিশোরদের আচরণে কোনো নেতিবাচক পরিবর্তন (যেমন- রাত করে বাড়ি ফেরা, অপরিচিতদের সাথে মেশা) টের পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারেন। ৪. খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার * মাঠ ও ক্লাব পুনরুদ্ধার: পরিত্যক্ত বা বেদখল হওয়া মাঠগুলো পুনরুদ্ধার করে খেলাধুলার উপযোগী করা এবং স্থানীয় ক্লাবগুলোকে গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করা। * আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা: নিয়মিত জেলা পর্যায়ে আন্তঃস্কুল-কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা, রচনা লিখন, বিজ্ঞান মেলা, সঙ্গীত ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। এতে শিক্ষার্থীদের মেধা ইতিবাচক খাতে প্রবাহিত হবে। ৫. বিনোদন ও লাইব্রেরি সুবিধা বৃদ্ধি * গ্রন্থাগার আন্দোলন: জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি গণগ্রন্থাগারগুলোকে আধুনিকায়ন করা এবং শিক্ষার্থীদের বই পড়ার প্রতি আকৃষ্ট করতে বিশেষ পুরস্কার বা রিডিং চ্যালেঞ্জের ব্যবস্থা করা। * সাংস্কৃতিক চর্চা: জেলা শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য নামমাত্র মূল্যে সঙ্গীত, নাটক, আবৃত্তি বা নৃত্য শেখার কোর্সের ব্যবস্থা করা। ৬. যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন * প্রশিক্ষণ কর্মসূচি: কিশোর ও তরুণদের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ইলেকট্রনিক্স বা অন্যান্য কারিগরি প্রশিক্ষণের আয়োজন করা, যাতে তারা গঠনমূলক ও উৎপাদনশীল কাজে ব্যস্ত থাকতে পারে। একজন জেলা প্রশাসক হিসেবে আপনি মাসিক জেলা আইনশৃঙ্খলা সভা এবং শিক্ষা কমিটির সভায় এই বিষয়গুলোকে নিয়মিত এজেন্ডাভুক্ত করতে পারেন। এছাড়া, স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মন্দির বা প্যাগোডার পুরোহিতদের মাধ্যমে জুমা বা উপাসনার সময় নৈতিকতার বিষয়টি তুলে ধরার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।
প্র Chairman
মোবাইল কোর্টে জুডিশিয়াল জাজ যেতে পারে?
প্র Candidate
মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী জুডিশিয়াল বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ সাধারণত মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন না। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের (Executive Magistrates) ওপর ন্যস্ত থাকে। তবে বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কখনো কখনো পরিবেশ বা বিশেষায়িত অপরাধ দমনে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্টে বিশেষ অংশগ্রহণের বিষয়ে মত দেওয়া হলেও, সাধারণ ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সম্পূর্ণ এখতিয়ার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের।
প্র External Examiner
[আইন সম্পর্কিত একটা প্রশ্ন করেছিলেন]
প্র Candidate
আমি ঠিকমতো শুনতে পারি নাই, আর একবার বলার জন্য বলেছিলাম।
প্র Chairman
উনি এটা পারবেন না, বাদ দেন।
প্র External Examiner
তোমার চোখ লাল হয়ে যাচ্ছে। তুমি কি আমাদের উপর রাগ করতেছো?
প্র Candidate
আমি বললাম, স্যার রাতে ঘুম হয়নি, আর ভাইভার অতিরিক্ত টেনশনে।
প্র Chairman
বাসায় গিয়ে একটু বেশি করে ঘুমিয়ে নিয়ো। তুমি সফলতার একদম দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছ। আরেকটু সামনে এগিয়ে গেলেই সফলতার দেখা পাবে। অতিরিক্ত চিন্তা করতে নিষেধ করছি।