BCS
২০২৬
ফলাফল: N/A
৪৭তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
প্রার্থী: বেনামী
বিষয়: N/A
জেলা: N/A
বোর্ড: N/A
ক্যাডার পছন্দের তালিকা
1. পুলিশ
বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর
প্র
Chairman
আপনি কি করেন এবং কোথায় আছেন?
প্র
Candidate
[প্রার্থীর বর্তমান পেশা ও অবস্থান সম্পর্কে উত্তর দেওয়া হয়েছে]
প্র
Chairman
আপনার ফার্স্ট চয়েস কি এবং এটার কারণ কি?
প্র
Candidate
আমার প্রথম পছন্দ পুলিশ ক্যাডার। [পছন্দের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে]
প্র
Chairman
যেহেতু ফার্স্ট চয়েস পুলিশ, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে পুলিশ ফার্স্ট চয়েস দেওয়া অনেক সাহসী কাজ। ৫ আগস্ট পুলিশের ভূমিকা কেমন ছিল? এটা কি অন্য ভাবে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারতো?
প্র
Candidate
৫ আগস্ট পুলিশ বাহিনী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে সরাসরি প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের পরিবর্তে চাইলে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতে, বলপ্রয়োগের মাত্রা কমানো ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার বেশ কয়েকটি বিকল্প উপায় ছিল:
১. প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বর্জন: সরাসরি গুলি বা প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার না করে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে জলকামান, টিয়ারশেল বা সাউন্ড গ্রেনেডের মতো নন-লেথাল বা মৃদু অস্ত্রের ব্যবহার করা যেত।
২. রাজনৈতিক সমাধান ও সংলাপ: আন্দোলন দমন না করে রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে দাবিগুলোর যৌক্তিকতা মেনে নেওয়া এবং ছাত্র-জনতার সাথে সরাসরি সমঝোতায় পৌঁছানো যেত।
৩. ফোর্স অব ল' (ফাইভ-স্টেজ প্রোটোকল): ইউরোপীয় বা আন্তর্জাতিক crowd control মডেল অনুসরণ করে বলপ্রয়োগকে ৫টি ধাপে বিভক্ত করা যেত। এর ফলে তাৎক্ষণিক হতাহতের সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হতো।
৪. দলীয় প্রভাবমুক্ত থাকা: পুলিশকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের রক্ষাকবচ হিসেবে ব্যবহার না করে আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখলে জনরোষ এতটা বৃদ্ধি পেত না।
প্র
Chairman
ধরেন আপনি পুলিশে আসলেন, আপনি আলাদা কি নিয়ে কাজ করবেন?
প্র
Candidate
পুলিশ হিসেবে আমার প্রধান লক্ষ্য হবে অপরাধ দমন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন বজায় রাখা। তবে প্রথাগত দায়িত্বের বাইরে আমি মূলত স্মার্ট পুলিশিং ও কমিউনিটি সংযোগের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে আলাদাভাবে নিচের কাজগুলো করব:
১. সাইবার অপরাধ ও ডিজিটাল প্রতারণা প্রতিরোধ: Bangladesh Police Cyber Support for Women এর মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে অনলাইনে হুমকি, আর্থিক প্রতারণা ও হ্যাকিং প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
২. জনবান্ধব কমিউনিটি পুলিশিং: স্থানীয় জনসাধারণ এবং National Emergency Service 999 এর মধ্যে একটি শক্তিশালী ও দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে অপরাধ ঘটার আগেই প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
৩. নিরাপদ সড়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা: প্রযুক্তির মাধ্যমে যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখা।
৪. মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূল: তরুণ প্রজন্মকে অপরাধের পথ থেকে ফেরাতে কাউন্সেলিং এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৫. নারী ও শিশু সুরক্ষা: নারীদের জন্য আইনি সহায়তা প্রাপ্তি সহজতর করা এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে Dhaka Metropolitan Police বা স্থানীয় থানার মাধ্যমে বিশেষ সেল গঠন করা।
প্র
External Examiner
বাংলাদেশ-ভারত বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
২০২৬ সালের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একটি জটিল রাজনৈতিক পুনর্গঠন এবং "ধীর কিন্তু নিশ্চিত" অগ্রগতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সরকার (বিএনপি নেতৃত্বাধীন) গঠিত হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে, যেখানে অতীতের পারস্পরিক টানাপোড়েন কাটিয়ে সম্পর্কে সাম্য ও সুনীতির ভিত্তিতে নতুন করে সাজানোর চেষ্টা চলছে।
প্র
External Examiner
আপনার সাবজেক্ট সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
[প্রার্থীর পঠিত বিষয় সম্পর্কিত উত্তর দেওয়া হয়েছে]