BCS ২০২৬ ফলাফল: সুপারিশপ্রাপ্ত

৪৭ তম বিসিএস ভাইভা

প্রার্থী: রাকিবুল ইসলাম
বিষয়: N/A
জেলা: N/A
বোর্ড: ড. মো: নাজমুল আমীন মজুমদার স্যার

ক্যাডার পছন্দের তালিকা

1. এডমিন 2. কাস্টমস 3. টাক্স 4. অডিট 5. তথ্য

বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর

প্র Chairman
(রাকিবুল ইসলাম) আপনি সোনালী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসাবে কর্মরতও ও ৪৫ তম বিসিএসে --------ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত।
প্র Candidate
জি স্যার
প্র Chairman
@আর্মেনিয়া দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত? বিশ্বে কেন আলোচিত? @আজারবাইজান আর্মেনিয়ার মাঝে দ্বন্দ্বের কারন কি কি?? @দ্বন্দ্ব নিরসনে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয় কিনা?
প্র Candidate
অবস্থান আর্মেনিয়া মূলত পশ্চিম এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। বিশ্বে আলোচনার কারণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব: আর্মেনিয়া বিশ্বের প্রাচীনতম দেশগুলোর মধ্যে একটি, যার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতি রয়েছে। এটি বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে খ্রিস্ট ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: ঐতিহাসিক গির্জা, প্রাচীন মঠ এবং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের জন্য দেশটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। আর্মেনিয়ান গণহত্যা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অটোমান সাম্রাজ্যে আর্মেনীয়দের ওপর হওয়া গণহত্যার জন্য বিশ্বজুড়ে এটি বিশেষভাবে পরিচিত। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের দ্বন্দ্বের কারণ নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল: মূল দ্বন্দ্বটি মূলত নাগোর্নো-কারাবাখ নামক পার্বত্য অঞ্চল এবং এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হলেও সেখানে জাতিগত আর্মেনিয়ানরা বসবাস করত। ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক দাবি: সোভিয়েত ইউনিযনের পতনের পর থেকেই উভয় দেশ অঞ্চলটিকে ঐতিহাসিকভাবে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। সীমান্ত ও ট্রানজিট রুট: দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ, পরিবহন রুট (যেমন- নাখচিভান ছিটমহল) এবং সীমান্ত বিরোধ এই দ্বন্দ্বের অন্যতম প্রধান কারণ। দ্বন্দ্ব নিরসনে গৃহীত উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা: দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ভূমিকা পালন করেছে। শান্তি চুক্তি (২০২৫): দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ওয়াশিংটনে একটি যৌথ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, একে অপরের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা এবং যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত করার বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব হয়েছে।
প্র Chairman
@ বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় প্রধান সমস্যা কিকি? ইরান - যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্বের কারন কি?
প্র Candidate
বর্তমান বিশ্বব্যবস্থার প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও মূল্যস্ফীতি, বহুপাক্ষিক কূটনীতির দুর্বলতা এবং ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, অন্যদিকে, ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব এবং পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মতবিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দ্বন্দ্ব শুরু হয়, ইরানের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক নীতি ও বৈশ্বিক তেল সরবরাহের রুট নিয়ন্ত্রণও এই উত্তেজনার অন্যতম কারণ
প্র Chairman
Describe us about the strait of Hormuz and its Importance??
প্র Candidate
The Strait of Hormuz is a narrow, vital shipping chokepoint between the Persian Gulf and the Gulf of Oman. Roughly 20% of the world's petroleum supply and significant amounts of liquefied natural gas (LNG) pass through it daily, making it arguably the most critical energy artery on the planet Geographic Facts Dimensions: It is about 100 miles long, but narrows to just 21 to 24 miles wide at its slimmest point. Location: Bordered by Iran to the north and Oman and the United Arab Emirates to the south. Shipping Lanes: Navigating the strait is tightly constrained; incoming and outgoing cargo vessels are confined to narrow, two-mile-wide shipping lanes separated by a two-mile buffer. Global Importance Energy Chokepoint: It serves as the only sea passage connecting the massive, oil-rich producers of the Persian Gulf to the open ocean. Approximately 20% of global oil consumption—about 17 to 21 million barrels per day-squeezes through this bottleneck. Liquid Natural Gas (LNG): About 20% of the world's global LNG trade relies on this route, which is essential for global power grids and manufacturing. Economic Vulnerability: Because of the sheer volume of global energy trade squeezed through this tiny passage, any tensions, blockades, or disruptions cause immediate, severe spikes in global oil and gas prices.
প্র Chairman
Why do you think Iran is indomitable? What are the geopolitical advances Iran has?
প্র Candidate
Iran's status as a resilient state stems from its strategic geography, massive energy reserves, and an asymmetric deterrence strategy that forces major powers into frozen uncertainty. Despite recent internal unrest, leadership losses, and severe Western sanctions, the country's vast population and historical civilization identity grant it enduring institutional and geopolitical survival capabilities Iran holds several major geopolitical advantages: Strait of Hormuz Chokepoint: Controlling the Strait of Hormuz allows Iran to exert significant leverage over the global energy supply. Its ability to disrupt this critical maritime route routinely forces international powers to negotiate rather than seek outright confrontation. The "Axis of Resistance": Through deeply entrenched non-state alliances across Lebanon, Syria, Iraq, and Yemen, Iran projects its influence outward to the Mediterranean without engaging in direct conventional warfare. Unmatched Energy Wealth: Holding some of the world's largest Oil Reserves and natural gas deposits, Iran underpins strong strategic and economic partnerships with multipolar powers like Russia and China, blunting the overall impact of Western sanctions. Defensive Depth: Iran's vast physical size-spanning from the Caspian Sea to the Persian Gulf—and its complex mountain ranges offer a massive natural defense that complicates potential foreign ground invasions
প্র Chairman
@Tell Us about WTO?
প্র Candidate
The World Trade Organization (WTO) is the only global intergovernmental body that regulates and facilitates international trade. Established on January 1, 1995, and headquartered in Geneva, Switzerland, it acts as a platform for negotiating trade agreements and a forum for settling disputes among its members.
প্র Chairman
@ যুক্তরাষ্ট্র- চীনের মধ্যে শুল্ক যুদ্ধ সমর্কে বলুন@ USA-China কি তাহলে WTO এর নিয়ম মানছে?
প্র Candidate
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ মূলত দুই দেশের মধ্যকার বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি, মেধাস্বত্ব (intellectual property) চুরি এবং চীনের রাষ্ট্রীয ভর্তুকি নীতির মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে। এই উত্তেজনার জেরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি উচ্চ হারে শুল্ক বা ট্যারিফ আরোপ করা হয়েছে, যা মাঝেমধ্যে কিছুটা প্রশমিত হলেও বড় আকারে এখনো বহাল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন কেউই সম্পূর্ণভাবে ডব্লিউটিও (WTO) এর নিয়মকানুন মেনে চলছে না। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) নিয়মানুযাযী, কোনো দেশ খেয়ালখুশি মতো অন্য দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক বসাতে পারে না। ডব্লিউটিও যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চীনের ওপর আরোপিত এই একতরফা শুল্ককে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিধিমালার সাথে "অসামঞ্জস্যপূর্ণ" বলে রায় দিয়েছে। পক্ষান্তরে, যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউটিও-কে চীনের অর্থনৈতিক নীতি ও মেধাস্বত্ব চুরির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে "অসমর্থ" বলে দাবি করে আসছে
প্র Chairman
@WTO বাংলাদেশের জন্য কি কি করে?
প্র Candidate
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ ও নিযন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মতো উন্নযনশীল দেশগুলোকে বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে সহাযতা করে, বাংলাদেশ ডব্লিউটিও-এর অন্যতম সদস্য এবং সংস্থাটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা, নীতিগত সহাযতা ও বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করে থাকে
প্র Chairman
@Trims কি @SRD কি বলুন @কেন SDR গঠন করা হয়
প্র Candidate
TRIMS (Trade-Related Investment Measures) কী? TRIMS হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) একটি চুক্তি, যা সদস্য দেশগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এটি নিশ্চিত করে যেন কোনো দেশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ওপর এমন কোনো নিয়ম বা শর্ত আরোপ করতে না পারে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বৈষম্যের সৃষ্টি করে। মূল উদ্দেশ্য: বিদেশি পণ্যের বদলে দেশি পণ্য বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহারের (Local Content Requirements) মতো বাণিজ্য-বিধ্বংসী নীতিগুলো বন্ধ করা। ২. SDR (Special Drawing Rights) কী? এসডিআর বা বিশেষ ড্রয়িং রাইট হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) কর্তৃক সৃষ্ট একটি আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ। এটি কোনো প্রচলিত মুদ্রা নয়: তবে এর মূল্য পাঁচটি প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার (মার্কিন ডলার, ইউরো, চীনা রেনমিনবি বা ইউযান, জাপানি ইযেন এবং ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং) একটি ঝুড়ির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয। এটি কীভাবে কাজ করে: আইএমএফ-এর সদস্য দেশগুলো প্রযোজনে এসডিআর বিনিময করে মার্কিন ডলার বা অন্য যেকোনো প্রযোজনীয বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করতে পারে। ৩. কেন SDR (এসডিআর) গঠন করা হয? ১৯৬৯ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্প্রসারণের জন্য মার্কিন ডলার ও স্বর্ণের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে এসডিআর গঠন করা হয। এর পেছনের মূল কারণগুলো হলো: বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি পূরণ: অতীতে বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিচালনার জন্য মূল রিজার্ভ ছিল স্বর্ণ এবং মার্কিন ডলার। কিন্তু পর্যাপ্ত স্বর্ণ বা ডলার না থাকায় বিশ্বব্যাপীল তারল্য সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই ঘাটতি পূরণের জন্য আইএমএফ নিজস্ব একটি কৃত্রিম রিজার্ভ সম্পদ (এসডিআর) তৈরি করে। সদস্য দেশগুলোর রিজার্ভ বৃদ্ধি: সদস্য দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও মন্দার সময়ে আর্থিকল তারল্য বজায় রাখতে এটি সাহায্য করে। বিশ্বব্যাপী তারল্য নিশ্চিত করা: বৈশ্বিক কোনো অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের (যেমন- বৈশ্বিক মহামারি বা আর্থিক মন্দা) সময়ে আইএমএফ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে এসডিআর বরাদ্দ বৃদ্ধি করে, যাতে তারা তাৎক্ষণিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন ও আমদানির ব্যয় মেটাতে পারে
প্র Chairman
@ডলার সংকট হলে কোন সংস্থা তার সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং কিভাবে?
প্র Candidate
ডলার সংকট দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (যেমন: বাংলাদেশে বাংলাদেশ ব্যাংক) এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর সরবরাহ নিশ্চিত ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
প্র Chairman
@বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত ৫ টি মৌলিক অধিকার ধারা সহ বলুন
প্র Candidate
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (২৬ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ) মোট ১৮টি মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি মৌলিক অধিকার ধারা বা অনুচ্ছেদসহ নিচে উল্লেখ করা হলো : আইনের দৃষ্টিতে সমতা (অনুচ্ছেদ ২৭): সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং সকলেই আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার (অনুচ্ছেদ ৩২): আইন ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতা হইতে কোনো নাগরিককে বঞ্চিত করা যাইবে না। চলাফেরার স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৬): জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে, বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোনো স্থানে বসবাস বা বসতি স্থাপন এবং বাংলাদেশ হইতে বাহির হইবার ও বাংলাদেশে প্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে। বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৯): প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার এবং সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হইয়াছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৪১): আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার এবং নিজ নিজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অধিকার রয়েছে
প্র Chairman
@সরকার কোন অন্যায় করলে কিভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায় তা কি সংবিধানে বণিত আছে
প্র Candidate
হ্যাঁ, বাংলাদেশের সংবিধানে সরকারের যে কোনো অন্যায় বা বেআইনি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সুস্পষ্ট আইনি ও সাংবিধানিক ব্যবস্থা রয়েছে। এই জবাবদিহিতা প্রধানত নিম্নোক্ত উপায়ে নিশ্চিত করা যায়: বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা (Judicial Review): সরকার বা নির্বাহী বিভাগের কোনো সিদ্ধান্ত যদি মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সংবিধানে দেওয়া ১০২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করা যায়। আদালত ওই সিদ্ধান্ত বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। সংসদীয় জবাবদিহিতা: জাতীয় সংসদে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রশ্নোত্তর পর্ব, মূলতবি প্রস্তাব ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটি রয়েছে, যেখানে মন্ত্রীরা তাদের মন্ত্রণালয়ের কাজের জন্য প্রশ্নের সম্মুখীন হন বাংলাদেশ জাতীয সংসদ। মৌলিক অধিকার সুরক্ষা: সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র যদি ব্যক্তির মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করে, তবে নাগরিকরা সরাসরি হাইকোর্টে রিট দায়ের করতে পারেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। অম্বুডসমান (Ombudsman): সংবিধানের ৭৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তাদের অন্যায় বা ক্ষমতার অপব্যবহারের তদন্ত ও প্রতিকারের জন্য 'অম্বুডসমান' নামক স্বাধীন কর্তৃপক্ষ নিয়োগের বিধান রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
প্র Chairman
@ন্যায়পাল কি?
প্র Candidate
অম্বুডসমান (Ombudsman): সংবিধানের ৭৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তাদের অন্যায় বা ক্ষমতার অপব্যবহারের তদন্ত ও প্রতিকারের জন্য 'অম্বুডসমান' নামক স্বাধীন কর্তৃপক্ষ নিয়োগের বিধান রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
প্র Chairman
@সরকারের প্রধান অঙ্গসংগঠন কয়টি ও কি কি?
প্র Candidate
সরকারের প্রধান অঙ্গ সংগঠন বা বিভাগ ৩টি। এগুলো হলো: আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ। সরকারের এই তিনটি প্রধান অঙ্গ বা বিভাগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো: [1] ১. আইন বিভাগ (Legislature): এই বিভাগের প্রধান কাজ হলো নতুন আইন প্রণযন করা এবং প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন সংশোধন বা বাতিল করা। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় এটি সাধারণত পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত। ২. শাসন বিভাগ (Executive): আইন বিভাগের তৈরি করা আইনকানুন বা নীতিসমূহ প্ৰযোগ ও বাস্তবাযন এই বিভাগের মূল দায়িত্ব। রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধান নির্বাহী (যেমন- রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী), মন্ত্রিপরিষদ এবং প্রশাসন যন্ত্র এর অন্তর্ভুক্ত। ৩. বিচার বিভাগ (Judiciary): এই বিভাগ সংবিধান ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারিক কাজ সম্পাদন করে। আইন লঙ্ঘনকারীদের শাস্তি প্রদান এবং নাগরিক অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর প্রধান কাজ। সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সকল আদালত এর অন্তর্ভুক্ত
প্র Chairman
@নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের প্রধান কে কে?
প্র Candidate
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিচার বিভাগের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি
প্র Chairman
@পলিটিকাল ইকোনমি কি?
প্র Candidate
রাজনৈতিক অর্থনীতি (Political Economy) হলো সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখা, যা অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং সমাজবিজ্ঞানের সমন্বয়ে গঠিত। এটি মূলত কোনো দেশের সম্পদ, উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থা কীভাবে সে দেশের রাজনীতি এবং রাষ্ট্রীয নীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করে
প্র Chairman
@ পলিটিকাল সোশিওলোজি বলতে কি বোঝেন?
প্র Candidate
রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান (Political Sociology) হলো সমাজবিজ্ঞান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি আন্তঃবিষযক (interdisciplinary) শাখা। এটি মূলত সমাজ ও রাজনীতির পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সমাজে ক্ষমতার বণ্টন ও ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করে। সহজ কথায, সমাজ কীভাবে রাজনীতিকে প্রভাবিত করে এবং রাজনীতির নানা সিদ্ধান্ত কীভাবে সামাজিক কাঠামো ও সংস্কৃতিতে প্রভাব ফেলে, তার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণই হলো রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান।
প্র Chairman
@ একটি রাজনৈতিক দলের ইশতেহার পলিটিকাল সায়েন্স ও পলিটিকাল সোশিওলজির দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করুন।
প্র Candidate
রাজনৈতিক দলের ইশতেহার হলো একটি নির্দিষ্ট সমযের জন্য সরকার পরিচালনায তাদের উদ্দেশ্য, নীতি এবং প্রতিশ্রুতির লিখিত ঘোষণাপত্র। পলিটিক্যাল সাযেন্স (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এবং পলিটিক্যাল সোসিওলজি (রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান) এই দুটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ইশতেহারের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো: ১. পলিটিক্যাল সাযেন্স (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এর দৃষ্টিতে ইশতেহার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মূল ফোকাস হলো—রাষ্ট্রের ক্ষমতা কাঠামো, শাসনব্যবস্থা এবং নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়া। ক্ষমতার লড়াই ও কৌশলগত দলিল: রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুযায়ী, ইশতেহার হলো একটি নির্বাচনী কৌশল। এর মাধ্যমে একটি দল 'মিডিয়ান ভোটার' বা মধ্যপন্থী ভোটারদের আকৃষ্ট করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের বৈধতা অর্জনের চেষ্টা করে। প্রতিষ্ঠানিক রূপরেখা ও শাসনতন্ত্র: এই ইশতেহারগুলোতে শাসন বিভাগ, আইনসভা, বিচার বিভাগ, এবং নির্বাচন কমিশনকে কীভাবে পরিচালনা করা হবে তার একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা থাকে। নীতি বিশ্লেষণ (Policy Analysis): রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা ইশতেহারের প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক নীতি, বৈদেশিক নীতি, এবং শাসনতান্ত্রিক সংস্কারগুলোকে তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করেন—যা পরবর্তীতে দলটির সরকার গঠনের পর বাস্তবায়নের পরিমাপক হিসেবে কাজ করে। ২. পলিটিক্যাল সোসিওলজি (রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান) এর দৃষ্টিতে ইশতেহার রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক এবং ক্ষমতার সামাজিক প্রভাব নিযে কাজ করে। সমাজ ও রাষ্ট্রকাঠামোর মিথস্ক্রিযা: রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, ইশতেহার কেবল রাজনৈতিক দলের খসড়া নয়; এটি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী, গোষ্ঠী, এবং স্তরগুলোর চাহিদার প্রতিফলন। সমাজ কীভাবে রাষ্ট্রকে প্রভাবিত করছে এবং রাষ্ট্র তার নীতি দিয়ে সমাজকে কীভাবে পরিবর্তন করতে চায়, তার মেলবন্ধন ঘটে এখানে। সামাজিক স্তরবিন্যাস ও বৈষম্য: ইশতেহার বিশ্লেষণ করে সমাজবিজ্ঞানীরা দেখেন যে, দলটির প্রতিশ্রুত উন্নয়ন বা সম্পদ বণ্টন কাঠামো সমাজের কোন শ্রেণীকে (শ্রমিক, ধনিক শ্রেণী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী) সুবিধা দিচ্ছে এবং কাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। সামাজিকীকরণ ও আদর্শিক আধিপত্য: এটি একটি আদর্শিক দলিল, যা জনগণের রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ (Political Socialization) ঘটায়। ইশতেহারের মাধ্যমে দল সমাজে নিজস্ব মূল্যবোধ ও এজেন্ডা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সংক্ষেপে: রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ইশতেহার হলো 'ক্ষমতা দখলের ও নীতি বাস্তবায়নের ব্লু-প্রিন্ট'; আর রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি হলো 'সামাজিক দ্বন্দ্ব নিরসন ও সামাজিক রূপান্তরের একটি আদর্শিক হাতিয়ার'।
প্র Chairman
@ Global South কি? কেন বলা হয়? তারা সবাই কি দক্ষিন গোলার্ধের? তাদের goal কি?
প্র Candidate
'গ্লোবাল সাউথ' (Global South) হলো মূলত এশিযা, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা এবং ওশেনিযার উন্নযনশীল, স্বল্পোন্নত বা উদীযমান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। এটি কোনো ভৌগোলিক দিক নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সমমনা দেশগুলোর একটি সুপরিচিত জোট। কেন 'গ্লোবাল সাউথ' বলা হয? এই দেশগুলোর বেশিরভাগই ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা বা ধনী দেশগুলোর দ্বারা উপনিবেশিত ছিল এবং আজও তারা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অপেক্ষাকৃত সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিযে পড়া। ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বের উত্তর অংশে (উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ) ধনী ও ক্ষমতাধর দেশগুলো অবস্থিত, যার বিপরীতে দক্ষিণ অংশে অবস্থিত দেশগুলোকে একত্রে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। 'তৃতীয বিশ্ব' (Third World) শব্দটির একটি সম্মানজনক ও আধুনিক বিকল্প হিসেবে পরিভাষাটি বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত। তারা সবাই কি দক্ষিণ গোলার্ধের? না, তারা সবাই দক্ষিণ গোলার্ধের নয়। ভৌগোলিক অবস্থান: গ্লোবাল সাউথভুক্ত বৃহত্তম দেশগুলোর মধ্যে ভারত, চীন এবং পুরো উত্তর আফ্রিকার ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর গোলার্ধে। ব্যতিক্রম: অন্যদিকে, ভৌগোলিক অবস্থান অনুসারে অস্ট্রেলিযা ও নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ গোলার্ধে হওয়া সত্ত্বেও, উন্নত অর্থনীতির কারণে তারা গ্লোবাল সাউথের অন্তর্ভুক্ত নয। তাদের লক্ষ্য (Goal) কী? গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর প্রধান লক্ষ্য ও দাবিগুলো নিচে দেওয়া হলো: অর্থনৈতিক সমতা ও উন্নযন: বৈশ্বিক বাণিজ্যে ন্যায্য হিস্যা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং নিজস্ব অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা। জলবায়ু ন্যাযবিচার (Climate Justice): জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য শিল্পোন্নত ধনী দেশগুলো মূলত দায়ী, তাই গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ (Loss and Damage) এবং সবুজ প্রযুক্তিতে সহজ প্রবেশাধিকার দাবি করে। রাজনৈতিক স্বাযত্তশাসন: বৈশ্বিক সংস্থাগুলোতে (যেমন- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ) নিজেদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করা এবং পশ্চিমা আধিপত্য বা এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিরোধিতা করা। ঋণের স্থাযিত্ব: উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণের বোঝা কমানো এবং বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার করা।
প্র Chairman
--ঠিক আছে আপনি তাহলে আসুন।
প্র Candidate
ধন্যবাদ ও সালাম দিয়ে আসলাম...