BCS ২০২৬ ফলাফল: N/A

৪৭তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা - এ টি এম ফরিদ স্যার

প্রার্থী: বেনামী
বিষয়: মার্কেটিং
জেলা: N/A
বোর্ড: এ টি এম ফরিদ স্যার

ক্যাডার পছন্দের তালিকা

1. N/A

বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর

প্র Chairman
মাস্টার্স শেষ হয়েছে কবে?
প্র Candidate
[ব্যক্তিগত উত্তর]
প্র Chairman
বর্তমানে কী করছেন?
প্র Candidate
[ব্যক্তিগত উত্তর]
প্র Chairman
ভার্সিটি লাইফ নিয়ে কিছু বলুন।
প্র Candidate
[ব্যক্তিগত উত্তর]
প্র Chairman
আপনার ক্যাডার চয়েজ কী কী?
প্র Candidate
[ব্যক্তিগত উত্তর]
প্র Chairman
একজন প্রশাসকের কোর ভ্যালুস (Core Values) কী কী?
প্র Candidate
একজন পেশাদার ও যোগ্য প্রশাসকের মূল মূল্যবোধ বা কোর ভ্যালুস (Core Values) হলো সততা, নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা এবং জনসেবা। প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই মূল্যবোধগুলো অপরিহার্য। একজন প্রশাসকের প্রধান কোর ভ্যালুসগুলো নিচে দেওয়া হলো: ১. সততা ও নৈতিকতা: ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সততা, নৈতিকতা ও উচ্চ মূল্যবোধ মেনে চলা। ২. নিরপেক্ষতা: কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের প্রতি পক্ষপাত না করে আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ আচরণ করা। ৩. দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা: অর্পিত দায়িত্ব সততার সাথে পালন করা এবং নিজের কাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা। ৪. জনসেবা ও মানবতা: প্রশাসনিক সেবাকে জনস্বার্থে নিয়োজিত করা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করা। ৫. সামাজিক ন্যায়বিচার: বৈষম্যহীনভাবে সকলের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। ৬. দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব: আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানের ব্যবহারে দক্ষ হওয়া এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে পারদর্শী হওয়া। ৭. স্বচ্ছতা: প্রশাসনিক কার্যক্রম জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ও স্পষ্ট রাখা। ৮. সময়ানুবর্তিতা: সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা। ৯. দেশপ্রেম: রাষ্ট্রের মূলনীতি ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশপ্রেমের সাথে কাজ করা।
প্র Chairman
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যাবলি কী কী?
প্র Candidate
বিভাগীয় কমিশনার হলেন একটি প্রশাসনিক বিভাগের প্রধান নির্বাহী, যিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে বিভাগের আইন-শৃঙ্খলা, রাজস্ব প্রশাসন, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং জেলা প্রশাসকদের (DC) কাজের তদারকি করেন। তিনি বিভাগীয় পর্যায়ে রাজস্ব আপিল নিষ্পত্তি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, বদলি ও পদায়ন এবং প্রশাসনের কাজের সমন্বয় করেন।
প্র Chairman
নির্বাহী এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পার্থক্য কী? CrPC reference সহ বলুন।
প্র Candidate
বাংলাদেশে ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর থেকে ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Executive Magistrate) এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) সম্পূর্ণ ভিন্ন দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে দেওয়া হলো: মূল পার্থক্য ও নিয়োগ (CrPC Reference): ১. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (CrPC Section 10): সরকার কর্তৃক প্রশাসনে দায়িত্বরত বিসিএস কর্মকর্তাদের (যেমন: জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার) মধ্যে থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরা নির্বাহী বিভাগের অংশ। ২. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CrPC Section 11): সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে সরকার কর্তৃক বিচার বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরা বিচার বিভাগের অংশ।
প্র Chairman
টিমওয়ার্ক করতে গিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জ ফেস করেছেন কিনা?
প্র Candidate
[ব্যক্তিগত উত্তর]
প্র Chairman
কর জিডিপি রেশিও কী? বর্তমানে কত? বৃদ্ধির উপায়সমূহ বলুন।
প্র Candidate
বর্তমানে কর-জিডিপি রেশিও (বাংলাদেশ): সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত কমে ৬.৬ শতাংশে নেমেছে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশের অর্থনীতির আকার অনুযায়ী এই হার ১৮ থেকে ২০ শতাংশ হওয়া উচিত। কর-জিডিপি রেশিও বৃদ্ধির উপায়সমূহ: ১. কর জালের আওতা বৃদ্ধি: করদাতার সংখ্যা বাড়াতে হবে, বিশেষ করে সক্ষম সব ব্যক্তিকে করের আওতায় আনতে হবে। ২. ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন: নতুন ভ্যাট আইন পুরোপুরি বাস্তবায়ন করলে কর-জিডিপি অনুপাত উল্লেখযোগ্য হারে (প্রায় ০.৬ শতাংশ) বৃদ্ধি পেতে পারে。 ৩. ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশন: কর সংগ্রহ ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কর ফাঁকি ও দুর্নীতি কমানো। ৪. কর অব্যাহতি কমানো: বিভিন্ন খাতে অপ্রয়োজনীয় কর ছাড় বা অব্যাহতি কমিয়ে করভিত্তি প্রসারিত করা। ৫. কর প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি: কর আদায়কারীদের সক্ষমতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। ৬. ১০ বছর মেয়াদী কৌশল বাস্তবায়ন: রাজস্ব বোর্ড (NBR) ২০৩৪-৩৫ সালের মধ্যে এই অনুপাত ১০.৫ শতাংশ করার লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
প্র Chairman
ইউএনও হিসেবে হাম প্রতিরোধে আপনার করণীয় কী?
প্র Candidate
একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে আমার মূল লক্ষ্য হবে টিকাদানের হার বৃদ্ধি, সচেতনতা সৃষ্টি এবং দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
প্র External Examiner
আপনাকে ২টি সেক্টর দেওয়া হলো- কৃষি আর শিক্ষা। আপনি কীভাবে কন্ট্রিবিউট করবেন? উক্ত সেক্টরে কী সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ? কীভাবে এগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ করা যায়? (As a policy maker)
প্র Candidate
একজন নীতি-নির্ধারক (Policy Maker) হিসেবে, ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে কৃষি ও শিক্ষা—এই দুটি মৌলিক খাতে আমার অবদান, বিদ্যমান পদক্ষেপের মূল্যায়ন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা নিচে উপস্থাপন করা হলো: ১. কৃষি খাত (Agriculture Sector): কৃষি বাংলাদেশের জীবনরেখা। আমার প্রধান লক্ষ্য হবে "স্মার্ট এগ্রিকালচার" বা প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা। ক. কন্ট্রিবিউশন/পরিকল্পনা: - স্মার্ট এগ্রিকালচার ও আইওটি (IoT): ড্রোন ব্যবহার করে বালাইনাশক স্প্রে, মাটির আর্দ্রতা সেন্সর ও সোলার সেচ ব্যবস্থা চালু করা। - কৃষক ডিজিটাল কার্ড: সরাসরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকের কাছে সঠিক তথ্য, কৃষি ঋণ ও ভর্তুকি পৌঁছানো। - হিমাগার ও কোল্ড চেইন: পচনশীল পণ্য সংরক্ষণের জন্য প্রতিটি উপজেলায় মিনি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করে ফসল পরবর্তী লোকসান কমানো। - জলবায়ু-সহিষ্ণু জাত: লবণাক্ততা, খরা ও বন্যা-সহিষ্ণু উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ। খ. সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ কি ব্যর্থ? পুরোপুরি ব্যর্থ নয়, তবে বাস্তবায়ন ও সমন্বয়হীনতার কারণে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। - সমস্যা: উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য না পাওয়া, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য। - ব্যর্থতার জায়গা: আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক জ্ঞান ও মাঠপর্যায়ে এর ধীরগতি ব্যবহার। গ. স্বয়ংসম্পূর্ণ করার উপায়: - সরাসরি বিপণন (Direct Marketing): অ্যাপ-ভিত্তিক বিপণন ব্যবস্থা, যেখানে কৃষক সরাসরি পাইকারি ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করবে। - এগ্রো-প্রসেসিং শিল্প: কাঁচামাল রপ্তানি না করে প্রক্রিয়াজাত করে (যেমন- টমেটো পেস্ট, চিপস) মূল্য সংযোজন করা। - কৃষি বীমা: প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ঝুঁকি কমাতে বাধ্যতামূলক কৃষি বীমা চালু করা। ২. শিক্ষা খাত (Education Sector): শিক্ষার উদ্দেশ্য হবে কেবল ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষতাভিত্তিক (Skill-based) জ্ঞান অর্জন। ক. কন্ট্রিবিউশন/পরিকল্পনা: - কারিকুলাম সংস্কার: মুখস্থবিদ্যা কমিয়ে সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধান ও প্রযুক্তিনির্ভর কারিকুলাম প্রণয়ন। - কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক: মাধ্যমিক পর্যায়ে অন্তত একটি কারিগরি বা ভোকেশনাল কোর্স বাধ্যতামূলক করা। - শিক্ষক প্রশিক্ষণ: শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি ও ICT-তে দক্ষ করে তোলা। খ. সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ কি ব্যর্থ? সাক্ষরতার হার বাড়লেও শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে বড় প্রশ্ন আছে। - সমস্যা: স্কুলগুলোতে ঝরে পড়ার উচ্চ হার, কোচিং নির্ভরতা এবং গ্রামীণ-শহরে শিক্ষার বৈষম্য। - ব্যর্থতার জায়গা: নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও উপকরণের অভাব। গ. স্বয়ংসম্পূর্ণ করার উপায়: - KPI ভিত্তিক মূল্যায়ন: শিক্ষকদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন (Key Performance Indicator) চালু করা। - শিক্ষায় বাজেট বৃদ্ধি: জিডিপির অন্তত ৪-৬% শিক্ষা খাতে বরাদ্দ নিশ্চিত করা।
প্র External Examiner
আপনি প্রশাসনে আসলে কোন সেক্টরকে প্রমোট করবেন? এবং কীভাবে করবেন? (Answer analytically)
প্র Candidate
প্রশাসনে দায়িত্ব পেলে আমি প্রধানত শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক জনসেবা (E-Governance)—এই দুটি সেক্টরকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রমোট করব।
প্র External Examiner
আপনার অধস্তন আপনার অর্ডার মানছে না, সেক্ষেত্রে কীভাবে ট্যাকেল দিবেন?
প্র Candidate
অধস্তন (subordinate) যখন নির্দেশ মানেন না, তখন এটি একজন ব্যবস্থাপক বা নেতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি। তবে রাগ না করে পেশাদারিত্বের সাথে এটি হ্যান্ডেল করা উচিত।
প্র External Examiner
আপনার প্রতিষ্ঠানে Transparency, Accountability ensure করবেন কীভাবে?
প্র Candidate
একটি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা (Transparency) এবং জবাবদিহিতা (Accountability) নিশ্চিত করা সুশাসনের জন্য অপরিহার্য। নিচে এই দুটি মূলনীতি নিশ্চিত করার প্রধান উপায়গুলো তুলে ধরা হলো: ১. স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উপায় (Ensuring Transparency): - তথ্যে অবাধ প্রবেশাধিকার: প্রতিষ্ঠানের আর্থিক, প্রশাসনিক এবং কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলো কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্টেকহোল্ডারদের জন্য উন্মুক্ত রাখা। - ডিজিটাল রিপোর্ট ও প্রকাশনা: নিয়মিত আর্থিক প্রতিবেদন, অডিট রিপোর্ট এবং কাজের অগ্রগতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা। - স্পষ্ট নীতিমালা ও নির্দেশিকা: প্রত্যেক কাজের জন্য সুনির্দিষ্ট ও লিখিত পলিসি বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) থাকা। - খোলামেলা যোগাযোগ: নিয়মিত মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের অবস্থা সম্পর্কে সবাইকে জানানো এবং মতামত গ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা。 ২. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপায় (Ensuring Accountability): - সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টন (Clear Roles): প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সদস্যের কাজের ক্ষেত্র এবং দায়িত্ব স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা। - পারফরম্যান্স মূল্যায়ন: কাজের ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখা, যেখানে ভুল বা ব্যর্থতার দায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকেই নিতে হয়। - অডিট ও মনিটরিং: অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক অডিট পরিচালনার মাধ্যমে কাজের সঠিকতা যাচাই করা। - অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা: কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ জানানোর জন্য কার্যকর ও নিরাপদ ব্যবস্থা (Whistleblower policy) রাখা। ৩. প্রযুক্তি ও নেতৃত্ব: - টেকনোলজির ব্যবহার: ব্লকচেইন বা উন্নত ইআরপি (ERP) সিস্টেমের মাধ্যমে ডেটা এন্ট্রি ও প্রসেসিংয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। - নৈতিক নেতৃত্ব: নেতৃত্বকে সততা ও স্বচ্ছতার উদাহরণ তৈরি করতে হবে, যা প্রতিষ্ঠানের বাকিদেরও দায়বদ্ধ থাকতে অনুপ্রাণিত করে।
প্র External Examiner
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের করণীয় কী? আঞ্চলিক জোটগুলো কী এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে?
প্র Candidate
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার মূলত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়, বিকল্প উৎস অনুসন্ধান এবং সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিদ্যুৎ ব্যবহার কমিয়ে আনা, অফিস সময় ও আলোকসজ্জা নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং এলএনজি আমদানির মাধ্যমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।
প্র External Examiner
স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করা যাবে কিনা? কীভাবে? সুবিধা অসুবিধা বলুন।
প্র Candidate
হ্যাঁ, বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন) শক্তিশালী করা অবশ্যই সম্ভব এবং এটি একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্র ও কার্যকর উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তৃণমূলের সেবা নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে সিটি কর্পোরেশন পর্যন্ত সব পর্যায়ে নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারকে স্বাধীন ও দুর্নীতিমুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে।