BCS N/A ফলাফল: N/A

আফতাব হোসেন প্রামানিক স্যারের বোর্ড - ভাইবা অভিজ্ঞতা

প্রার্থী: বেনামী
বিষয়: ইইই (EEE)
জেলা: N/A
বোর্ড: আফতাব হোসেন প্রামানিক স্যার

ক্যাডার পছন্দের তালিকা

1. এডমিন 2. কাস্টমস

বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর

প্র Chairman
biodiversity কি, কয় প্রকার?
প্র Candidate
Biodiversity বা জীববৈচিত্র্য হলো পৃথিবীতে বিদ্যমান জীবনের বিশাল বৈচিত্র্য। সহজ কথায়, একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বা সারা বিশ্বে যত ধরনের উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব এবং তাদের মধ্যকার বাস্তুসংস্থান রয়েছে, তাদের সমষ্টিই হলো জীববৈচিত্র্য। জীববৈচিত্র্যকে প্রধানত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়।
প্র Chairman
সৌদিতে শ্রমিক পাঠাতে কি করবেন? economic diplomacy কিভাবে রাজনৈতিক প্রভাব ফেলে?
প্র Candidate
সৌদিতে শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া: সৌদি আরবে বৈধভাবে শ্রমিক পাঠাতে হলে মূলত কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হয়। বর্তমানে এই প্রক্রিয়াটি সরকারি ও বেসরকারি দুইভাবেই নিয়ন্ত্রিত: * বিএমইটি (BMET) রেজিস্ট্রেশন: প্রথমে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)-এর ডাটাবেজে নাম নিবন্ধন করতে হবে। * বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন: সরকার অনুমোদিত (RL নম্বরধারী) লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে। * ভিসা সংগ্রহ ও যাচাই: নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আসা ভিসাটি ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস বা 'আমি প্রবাসী' অ্যাপের মাধ্যমে যাচাই করে নিতে হবে। * স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Medical): গামকা (GAMCA) অনুমোদিত সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে। * পাসপোর্ট ও পুলিশ ভেরিফিকেশন: বৈধ পাসপোর্ট এবং বর্তমান ঠিকানার সাপেক্ষে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন। * প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন: বিদেশে যাওয়ার আগে সরকারি ট্রেনিং সেন্টার থেকে কয়েক দিনের ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন করে পিডিও (PDO) সার্টিফিকেট নিতে হবে। * স্মার্ট কার্ড: সব কাজ শেষে বিএমইটি থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র বা 'স্মার্ট কার্ড' সংগ্রহ করতে হবে। অর্থনৈতিক কূটনীতি (Economic Diplomacy) যেভাবে রাজনৈতিক প্রভাব ফেলে: ১. কৌশলগত নির্ভরশীলতা তৈরি: যখন একটি দেশ অন্য দেশে বড় ধরনের বিনিয়োগ করে বা ঋণ দেয়, তখন গ্রহীতা দেশ দাতা দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়া কঠিন মনে করে। যেমন: চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) এর মাধ্যমে অনেক দেশের ওপর তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বেড়েছে। ২. জোট গঠন ও দর কষাকষি: অর্থনৈতিক স্বার্থে দেশগুলো নিজেদের মধ্যে রাজনৈতিক জোট (যেমন: BRICS বা G20) তৈরি করে। এতে আন্তর্জাতিক ফোরামে কোনো দেশ একঘরে হয়ে পড়লে অর্থনৈতিক পার্টনাররা তার পক্ষে রাজনৈতিক অবস্থান নেয়। ৩. সফট পাওয়ার (Soft Power) বৃদ্ধি: একটি দেশ যখন অন্য দেশে শিল্পায়ন বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, তখন ওই দেশের জনগণের কাছে বিনিয়োগকারী দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদে সেই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলে। ৪. অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও চাপ: রাজনৈতিক দাবি আদায়ের জন্য অনেক সময় অর্থনৈতিক কূটনীতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন: কোনো দেশের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করা। ৫. সম্পদ ও রুটের নিয়ন্ত্রণ: জ্বালানি বা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট (যেমন: সমুদ্র বন্দর) নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে বড় দেশগুলো আঞ্চলিক রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখে।
প্র Board Member 1
নন ব্যারিয়ার ট্যারিফ কি?
প্র Candidate
নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার বা অ-শুল্ক বাধা (Non-Tariff Barrier) হলো এমন সরকারি নীতি, প্রবিধান বা বিধিনিষেধ, যা কোনো দেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর সরাসরি কর (Tariff) আরোপ না করেও বাণিজ্য সীমিত করে।
প্র Board Member 1
প্রথম কোন উপগ্রহ মহাকাশে যায়?
প্র Candidate
মহাকাশে যাওয়া প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হলো স্পুটনিক ১ (Sputnik 1)। এটি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর তারিখে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
প্র Board Member 1
কোকারিকুলার এক্টিভিটিজ কি?
প্র Candidate
কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ বা সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যাবলী হলো বিদ্যালয়ের মূল পাঠ্যক্রমের (Academic Syllabus) পরিপূরক কার্যক্রম, যা শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষের শিক্ষার বাইরে মানসিক, শারীরিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে সহায়তা করে। বিতর্ক, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিজ্ঞান ক্লাব, স্কাউটিং, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ছবি আঁকা এবং সমাজসেবামূলক কাজ এর অন্তর্ভুক্ত।
প্র Board Member 1
আপনার অভিনীত নাটকের ২ লাইন বলুন।
প্র Candidate
[প্রার্থী তার অভিনীত নাটকের ২ লাইন আবৃত্তি করে শোনালেন]
প্র Board Member 2
4IR এর খারাপ দিক কি?
প্র Candidate
চাকরি হারানো, সাইবার নিরাপত্তা এবং সামাজিক বৈষম্য।
প্র Board Member 2
আপনি কি কি প্রপোজাল দিবেন?
প্র Candidate
[প্রার্থী তার প্রস্তাবনাসমূহ সংক্ষেপে উপস্থাপন করলেন]
প্র Board Member 2
সংসদে নারী আসন সমর্থন করেন? এই আসন কি আজীবন চলতে থাকবে?
প্র Candidate
জাতীয় সংসদে নারী আসন বা সংরক্ষিত আসনের বিষয়টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত বিষয়। এই আসন সমর্থন করার পেছনে যেমন ইতিবাচক যুক্তি রয়েছে, তেমনি এর কার্যকারিতা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। সমর্থন: অনেকেই নারী আসনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন, কারণ এটি সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। নারী সংসদ সদস্যের সংখ্যা বৃদ্ধি সমাজে নারীর ক্ষমতায়নের বার্তা দেয় এবং নারীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখে। সমালোচনা: সমালোচকরা (বিশেষ করে সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা) মনে করেন, বর্তমান পরোক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা (দলের মনোনয়ন) নারীদের 'ক্ষমতাহীন' করে রাখে। সরাসরি নির্বাচনের পরিবর্তে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পাওয়ার ফলে এই সংসদ সদস্যরা জনতৃণমূলের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন না। প্রয়োজনীয়তা: বাংলাদেশে নারীরা ভোটার হিসেবে প্রধান হলেও, সরাসরি আসনে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক কাঠামোগত বাধা ও সামাজিক রক্ষণশীলতার সম্মুখীন হন। এই অবস্থায় সংরক্ষিত আসন একটি 'নিরাপদ' পথ করে দেয়। এই আসন কি আজীবন চলতে থাকবে? অস্থায়ী ব্যবস্থা: সাংবিধানিকভাবে সংরক্ষিত নারী আসন একটি অস্থায়ী বিশেষ ব্যবস্থা (Temporary Special Measures)। এটি আজীবনের জন্য রাখা হয়নি।